২৭শে মার্চ, ২০১৯ ইং, ১৩ই চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৯শে রজব, ১৪৪০ হিজরী

রাজসিক তামিম, স্বরূপে বাংলাদেশ

অক্টোবর ২, ২০১৬

Share Button

33953_f2ডেস্ক রিপোর্ট- আফগানিস্তানের বিপক্ষে মান ও সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচের ভাগ্য টসে জিতেই দলের ব্যাটসম্যানদের হাতে তুলে দিয়েছেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। ওপেনার তামিম ইকবাল প্রথম ৯টি বল খেলে করলেন ১টি। দশম বলটি খেললেন আফগান স্পিনার মো. নবীর করা। শর্ট বল, তামিম পুল করার চেষ্টা করলেন। একেবারেই সহজ ক্যাচটি মিডঅনে ফেলে দিলেন আফগান অধিনায়ক আসগর স্তানিকজাই। এরপর পিছনে ফিরে তাকাননি তামিম। একাই ১১৮ রান করেন সমান সংখ্যক বলে ১১ চার ও দুটি ছ’য়ের মারে। তামিম যখন বিদায় নেন তখন স্কোর বোর্ডে ২১২ রান ৩ উইকেট হারিয়ে
। সেখান থেকে ৪৭ রান যোগ করতেই আরো ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত তামিমের করে দিয়ে যাওয়া ৭ম সেঞ্চুরির অবদানে ভর করে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৭৯ রান জমা পড়ে বাংলাদেশের স্কোর বোর্ডে। সেই সঙ্গে মিরপুর শেরে বাংলা মাঠে শুধু সিরিজ বাঁচানোরই নয়, সেঞ্চুরি জয়েরও জন্য লড়াকু পুঁজি পায় টাইগাররা।
দলীয় ২৩ রানে ওপেনার  সৌম্য সরকারকে হারানোর ধাক্কা সামাল দিয়েছিলেন সাব্বির রহমান রুম্মানকে নিয়ে। দ্বিতীয় উইকেটে ১৪০ রানের দারুণ জুটি গড়ে দলের স্কোর বোর্ডে দুইশ পার করেন।  তবে সাব্বির ৬৫ রানে ফিরে গেলে লড়াই একাই করেন তামিম। ৮ ব্যাটসম্যানের ব্যাটের আবদান মাত্র ৮৪ রান। সাকিব, মুশফিকুর রহীম ফিরেছেন ব্যর্থ হয়ে। লেজের দিকের চার ব্যাটসম্যান স্পর্শ করতে পারেনি দুই অংক।  গোটা স্কোর কার্ডে ঝলমল করছে দেশসেরা এই ওপেনারের ৭ম ওয়ানডে সেঞ্চুরি। এই সেঞ্চুরিতে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন দেশের ওয়ানডের সেরা সব ব্যাটসম্যানকে। ১ রানে জীবন পাওয়া তামিম ইকবালের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে দারুণ এক জুটিতে বাংলাদেশকে দৃঢ় ভিত গড়ে দেন সাব্বির রহমান। ওয়ানডেতে প্রথমবারে মতো টপঅর্ডারে (৩ নাম্বারে) ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে নিজেকে মেলে ধরেন এই তরুণ। চাপ সরিয়ে নিতে শুরুতে কিছু ঝুঁকিপূর্ণ শট খেলা সাব্বির উপহার দিয়েছেন তিনটি ছক্কা। রানের গতি বাড়ানোর কাজটা করেছেন তিনিই। স্কয়ার লেগ দিয়ে দৌলত জাদরানকে ছক্কা হাঁকিয়ে শুরু। এরপর দুই লেগ স্পিনার সামিউল্লাহ শেনওয়ারি ও রহমত শাহকে লংঅন দিয়ে উড়িয়ে গ্যালারিতে পাঠিয়েছেন সাব্বির। তবে লেগ স্পিনার রহমতকে উড়িয়ে সীমানা ছাড়ার চেষ্টায় শর্ট থার্ড হয়ে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন ৭৯ বলে ৬টি চার ও ৩টি ছয়ের মার হাঁকিয়ে। সাব্বিরের বিদায়ে ভাঙে ২৪.৪ ওভার স্থায়ী ১৪০ রানের জুটি। সিরিজে এটাই সিরিজে টাইগারদের একমাত্র শতরানের জুটি।
তবে থেমে থাকেননি তামিম। ১১০ বলে সেঞ্চুরিতে পৌঁছে তামিম চড়াও হন আফগান বোলারদের ওপর। রহমতের দুই বলে মিডউইকেট ও এক্সট্রা কাভার দিয়ে হাঁকান দুটি ছক্কা। তবে শেষ হয় নবিকে উড়িয়ে সীমানা ছাড়া করতে গিয়ে লংঅফে ক্যাচ দিয়ে। যেখানে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ২১২ রান। সেখান থেকে ২৩ রানে তামিম, সাকিব, মুশফিকুর রহীম ও মোসাদ্দেক হোসেনকে হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। আফগান বোলাররা দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে চেপে ধরে টাইগারদের।  বিশ্বের অন্যতম সেরা আলরাউন্ডার সাকিব ফিরেন বাজে এক শটে। প্রথম ম্যাচে ৪৮ করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে ১৭ রান করে আউট হয়েছিলেন। তৃতীয় ম্যাচেও আটকে রইলেন একই রানেই। অন্যদিকে গুগলি ভেবে খেলতে গিয়ে রশিদের লেগ স্পিনে এলবিডব্লিউ হন মুশফিক। প্রথম ম্যাচে ৬, দ্বিতীয় ম্যাচে ৩৮ ও শেষ ম্যাচে ১২ রান করে সিরিজে দ্বিতীয়বারের মতো এই লেগ স্পিনারের শিকার হলেন তিনি। এরপর অভিষেকে আলো ছড়ানো মোসাদ্দেক স্টাম্পড হন রশিদের গুগলি বুঝতে না পেরে। অলরাউন্ডার তকমা নিয়ে ৮ বছর পর মাঠে ফিরে ওয়ানডে খেলতে নেমে ব্যাটিংয়ে মোটেও ভালো করতে পারেননি মোশাররফ হোসেন। ৪ রান করতে ১৪ বল খেলেন তিনি। এরপর দ্রুতই ফিরেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাও। শেষের দিকের দারুণ ব্যাটিংয়ে দলকে সিরিজের সর্বোচ্চ রান এনে দেন মাহমুদউল্লাহ। ২২ বলে ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

দিনপঞ্জি

মার্চ ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« ডিসেম্বর    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী

সম্পাদক ও প্রকাশক-শফিকুর রহমান চৌধুরী (এম এ)

বার্তা সম্পাদক-মাঈন উদ্দিন দুলাল

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদকীয় অফিস :জোড্ডা বাজার,নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা-৩৫৮২

বার্তা বিভাগ-০০২১৮৯২৮২৭৬৯০১,ইমো নাম্বার

Email- nangalkottimes24@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET
error: কপি করা থেকে বিরত থাকুন।