১৪ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং, ৩০শে কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা রবিউল-আউয়াল, ১৪৪০ হিজরী

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • কুমিল্লা
  • নাঙ্গলকোটের ৮ ইউপিতে বিএনপির প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধাঁ প্রদান, কেন্দ্র দখলের আশংকা-সলিসিটর মোঃ ইকরামুল হক মজুমদার

নাঙ্গলকোটের ৮ ইউপিতে বিএনপির প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধাঁ প্রদান, কেন্দ্র দখলের আশংকা-সলিসিটর মোঃ ইকরামুল হক মজুমদার

ডিসেম্বর ১৯, ২০১৭

Share Button

স্টাফ রিপোর্টারঃ
আসন্ন নাঙ্গলকোট উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচনে বিএনপি’র মনোনীত (ধানের শীষ প্রতীক) প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণায় বিভিন্ন বাধাঁ বিপত্তির সম্মূখিন হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় হামলা-মারধরের শিকার হচ্ছেন প্রার্থী ও তাদের সমর্থিত নেতাকর্মীরা । সাধারণ ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে হুমকি প্রদান করা হচ্ছে । এতে করে সাধারণ ভোটাররা আতংকিত হয়ে পড়েছেন। এছাড়া বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরাও উৎসাহ হারিয়ে ফেলছেন। তারা সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে সন্দিহান। কারণ আ’লীগের প্রার্থীরা ইতিমধ্যে বলে বেড়াচ্ছেন ভোট রাতেই হয়ে যাবে।
সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকেলে কুমিল্লা নগরীর বিএনপির কার্যালয়ে যুক্তরাজ্য বিএনপি’র উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টা জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরাম (ইউকে) সলিসিটর মোঃ ইকরামুল হক মজুমদার সাংবাদিক সম্মেলনে ইউপি নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এসব কথা বলেন।
সলিসিটর মোঃ ইকরামুল হক মজুমদার সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, গত ৮ ডিসেম্বর ইউপি নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে জনসাধারণের মাঝে ঐক্য গড়ে তোলার জন্য নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক এড.হামিদুল হক ভূইয়ার নেতৃত্বে আবু সায়েম আজাদকে সদস্য সচিব করে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র সভাপতি বেগম রাবেয়া চৌধুরী একটি নির্বাচনী সমন্বয় কমিটি গঠন করেন ।
উক্ত সমন্বয় কমিটি নেতৃবৃন্দ যুক্তরাজ্য বিএনপি’র উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টা জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরাম (ইউকে) সলিসিটর মোঃ ইকরামুল হক মজুমদারের নেতৃত্বে সাক্ষাৎকালে জেলা বিএনপির সভাপতি বেগম রাবেয়া চৌধুরী বলেন, বিএনপি একটি আদর্শিক দল। কোন প্রকার বিশৃংখলা সৃষ্টি না করে নির্বাচনী প্রচারনার মাধ্যমে জনগণকে ধানেরশীষে ভোট দিয়ে বিএনপি’র প্রার্থীদের বিজয়ী করার জন্য কাজ করার জন্য উৎসাহিত করেন। তবে তা হতে হবে শৃংখলা ভাবে। কোন রকম বিশৃংখলতা সৃষ্টি করা যাবে না। বিএনপি একটি আদর্শিক দল, যা বাংলাদের প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। বেগম খালেদা জিয়ার নয়নের মনি ও তারুণ্যের অহংকার তারেক জিয়াকে বীরের বেশে বাংলাদেশে আসার উৎসাহ জাগিয়ে তুলে বাংলাদেরশের প্রতিটি মানুষ। প্রতিটি মানুষ যাকে নিয়ে এখনো স্বপ্ন দেখে। সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে অচিরেই বাংলাদেশে আসবে বাংলার অহংকার তারেক জিয়া। এরই ধারাবাহিকতায় সরেজমিনে নির্বাচনী এলাকায় বিএনপি’র প্রার্থীদের পক্ষে নির্বাচনী গণসংযোগে অংশ গ্রহন করি। গণ সংযোগে অংশগ্রহনকালে প্রার্থী ও ভোটারদের সাথে আলাপ-আলাপ আলোচনা করে যে সকল বিষয় অবগত হয়েছি তা আগামী ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচনের পরিপন্থী এবং ঝুঁকিপূর্ণ। যা নিম্মে আপনাদের জন্য তথ্য ও সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের সহায়ক হয়।
রায়কোট উত্তর ইউনিয়ন: (প্রার্থী মিয়া মোহাম্মদ ইদ্রিস), তার নির্বাচনী প্রচারকার্যে আওয়ামী/সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা প্রভাব বিস্তার করে বিএনপি’র প্রার্থীর প্রচারণায় বাঁধা, হুমকি-ধমকি, নির্বাচনী কেন্দ্রে ভোটারদের যেতে দেয়া হবে না। যেহেতু অত্র এলাকায় বিএনপির অধ্যুষিত এলাকা। যেখানে প্রায় ৭৫% বিএনপি’র ভোটার, যার কারনে ভোটারদের স্বতস্ফুর্ত দেখে বিভিন্ন কর্মীর মাধ্যমে বলাবলি করছে মধ্য রাতেই নির্বাচন শেষ করে ফেলবে। তারা বিএনপি’র প্রার্থীর পোস্টার লাগানো, মাইক বাজানো এবং কর্মীদেরকে প্রশাসনের মাধ্যমে ভয়-ভীতি দেখিয়ে প্রচার-প্রচারণা শারিরীক-মানসিকভাবে হুমকি প্রদান করছে। যার কারনে আমার কর্মীরা ভীত সন্ত্রস্থ হয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছে এবং প্রার্থী নির্বাচনের প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য আহবান জানান। তিনি আরো অভিযোগ করেন আমার এলাকার আ’লীগের প্রার্থী উপজেলা আ’লীগের সভাপতির মেয়ের জামাইর বড় ভাই। কাজেই তিনি এই ইউনিয়নকে বিজয়ী করার চ্যালেঞ্জ গ্রহন করেন এবং যে কোন শক্তির বিনিময় তাঁর আত্মীয়কে বিজয়ী করবেন। এখানে উল্ল্যেখ যে, আমার প্রার্থীর নির্বাচনী গণসংযোগের সময় আ’লীগের অফিসের সামনে থানা পুলিশের একটি বহর অবস্থান করতে দেখা যায়, এবং আমার গাড়ী থামিয়ে আমার গাড়ীটি রিকুজিশন ও গাড়ীর অন্যান্য লোকজনকে আটক করার চেষ্টা করে। পরবর্তিতে আমার পরিচয় দেয়ার পর সম্মানপদর্শন করে আমাদে দ্রুত বাড়ী চলে যাওয়ার জন্য বলে। কারন তারা রায়কোট উত্তর এলাকাকে সব চেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে মনে করে।
রায়কোট দক্ষিণ: (প্রার্থী নজরুল ইসলাম মিনু)। অতীত ইতিহাসে এবং বর্তমান ভোটারদের সতস্ফুর্ততা দেখে এই ইউনিয়নে প্রায় ৮০% ভোটারই বিএনপি’র ভোট। প্রার্থী ও ভোটারদের মূল আশংকা একটাই ভোটারর কি আসলে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারবে ? আসলে ভোট হবে কি ? নাকি রাতের অন্ধকারেই সমস্ত ভোট শেষ করে ফেলবে। মন্ত্রী এবং আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের আচার-আচরণ ও প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে তারা আমার প্রচার প্রচারণায় বাধাঁ প্রদান করছে। তারা নিজেরা এবং প্রশাসনের মাধ্যমে ভোট কেন্দ্রে ও নির্বাচনে কাজ না করার জন্য আমার নেতাকর্মীদের হুমকি ধমকি দিচ্ছে। এছাড়া এই ইউনিয়নে পূর্বে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জোড়পূর্বক কেন্দ্র দখল ও জালভোট দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। আমার এই ইউনিয়ন মোট ৫টি ভোট কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। যার কারনে আমার কর্মীরা ভীত সন্ত্রস্থ হয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছে এবং প্রার্থী নির্বাচনের প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য আহবান জানান।
জোড্ডা পূর্ব ইউনিয়ন: (প্রার্থী মোঃ সফিকুর রহমান চৌধুরী): আমার এই ইউনিয়নে বিএনপির সমর্থিত মেম্বারদের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো ও বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদর্শণ করছে। এই ইউনিয়নে প্রায় ৫টি কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। অতীতে ব্যালট পেপার ছিনতাই, সুষ্ঠ নির্বাচনে বানচালসহ এজেন্টদের বের করে দেয়ার ঘটনা রয়েছে। এই ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রতে পর্যাপ্ত পরিমান আইনশৃংখলা বাহিনী নিয়োগ ও প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য আহবান জানান।
জোড্ডা পশ্চিম ইউনিয়ন: (মোঃ শাহ জাহান):অত্র ইউনিয়নে অন্যান্য ইউনিয়নের চেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপি’র নেতা নজির আহম্মেদ ভূইয়া ব্যবহৃত প্রাডো গাড়ীসহ অন্যান্য নেতাকর্মীদের গাড়ী ভাংচুর করে এবং শাররিক ভাবে আগ্নেস্ত্র দিয়ে আহত করে ও প্রকাশ্যে পিস্তল মিছিল করে। এসময় সরকার দলীয় কেডারদের দ্বারা ও প্রশাসনের যোগসাজসের মাধ্যমে উচুঁ বাক্যে হমুকি প্রদর্শণ করে। এছাড়া নির্বাচনের প্রচারনাকালে প্রার্থীকে লাি ত করে তাঁর মোবাইল ও হ্যান্ড মাইক ছিনিয়ে নেয়। এছাড়া বিভিন্ন ভাবে প্রাণ নাশের হুমকি এবং প্রচার মাইক ভাংচুর করে প্রচার কার্য থেকে বিরত থাকার জন্য প্রার্থীসহ সকলকে ব্যাপক হুমকি ধামকি দিচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে এই ইউনিয়নের প্রায় ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের অনুরোধ জানাচ্ছি।
বটতলী ইউনিয়ন: (প্রার্থী মোঃ গোলাম মাওলা): অত্র ইউনিয়নে সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের প্রভাব বিস্তারের কারনে সাধারণ ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার আশংখা করছে। ভোটারদের বিভিন্ন হুমকি-ধমকি দিচ্ছে, দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের আশে-পাশে ঘুরাঘুরি করছে। ধানের শীষে ভোট দিলে তাদেরকে এলাকায় থাকতে দিবে না বলে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এসব কারনে ভোটারদের মাঝে ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এছাড়া ভোটারদের বলা হচ্ছে ভোট কেন্দ্রে যেতে দেয়া হবে না। তাদের ভোট হয়ে যাবে। এই ইউনিয়নে অতীতে নির্বাচনে ব্যালট ছিনতাই, জালভোট, কেন্দ্র দখল করার রেকর্ড রয়েছে। এছাড়া এই ইউনিয়নে প্রায় ৫টির অধিক কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। এই ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রতে পর্যাপ্ত পরিমান আইনশৃংখলা বাহিনী নিয়োগ ও প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য আহবান জানান।
দৌলখাঁড় ইউনিয়ন: ( প্রার্থী মোঃ মোশারফ হোসেন): অত্র ইউনিয়নে আ’লীগের প্রার্থী প্রকাশ্যে বলে যাচ্ছে কিসের ভোট, আ’লীগ পাস করতে ভোট লাগে না, ভোট কেন্দ্রে কে আসে ভোট দিতে দেখা যাবে। সরকার আমাদের, উপজেলা চেয়ারম্যান আমাদের। আমরা পাস না করলে করবে কে ? ভোটারদের মাঝে এমন বক্তব্য দিয়ে সাধারণ ভোটারদের মাঝে আতংক বিরাজ ছড়াচ্ছে। প্রয়োজনে লাশের উপর দিয়ে বিএনপি’র প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের প্রতিহত করা হবে। কারন এই ইউনিয়নেই উপজেলা আ’লীগের আহবায়কের বাসস্থান ও নিজ এলাকা এবং অত্র এলাকার নির্বাচনে আ’লীগের প্রার্থীর বিজয় তাঁর অস্থিত্ব’র সাথে সম্পৃক্ত। বিষয়টি আমাদের নিকট আরো পরিষ্কার হয়, যখন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাইন উদ্দিন ভূইয়া নির্বাচনী গণসংযোগ কালে স্পষ্ট ভাষায় বলেন, এখানে সুষ্ঠ নির্বাচন হওয়ার কোন আশংখা নেই, রাতের মধ্যই ভোট কাস্টিং করবে বলে বলা বলি করছে। এই ইউনিয়নে প্রায় ৫ টির অধিক কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য আহবান জানান।
আদ্রা উত্তর ইউনিয়ন : (প্রার্থী মোসাঃ চেয়ারম্যান মাহবুবা আক্তার): এই ইউনিয়নে আ’লীগের প্রার্থীর বাড়ীর কাছা কাছি নির্বাচনী প্রচারনায় গেলে ৭/৮ জন মাথায় হেলমেট পড়া অবস্থায় আমাদের সিএনজির উপর হামলা চালিয়ে আমাদের কে এলাকায় ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়। এলাকায় নৌকার প্রতীকে প্রার্থীর ভাই বিএনপি’র কর্মীদের পিস্তল তাক করে গুলি করার হুমকি দেয়। এছাড়া প্রার্থীর নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়কারীকে মিথ্যা অযুহাতে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। রাতে রাতে পুলিশ ও আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য ও আ’লীগের সন্ত্রাসী বাহিনী যৌথ ভাবে আমাদের কর্মীদের হুমকি ধমকি দিয়ে কার্যক্রম থেকে বিরত রাখছে। অত্র এলাকার আ’লীগের প্রার্থী বিপুল অর্থের বিনিময় বহিরাগত ভাড়া টিয়া মাস্তান দিয়ে ভোর রাতেই নির্বাচন শেষ করে দিবে। এখানে আমাদের প্রার্থী ও ভোটারদের নিরাপত্তা জন্য নির্বাচন কর্মকর্তা ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এবং নিরপেক্ষ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে নির্বাচনের সহযোগিতা করার জন্য আহবান জানাচ্ছেন। সে লক্ষে তিনি ভাসমান ম্যাজেস্ট্রিট নিয়োগ ও সিসি টিভি নিয়োগ/স্থাপন করার আহবান জানান। এ ব্যাপারে তিনি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার নিকট তার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়ন: ( প্রাথী মোঃ মাইন উদ্দিন): এই ইউনিয়নের প্রায় অধিকাংশ কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ, সরকার দলীয় লোকজন ও বহিরাগত লোক নিয়ে এখনই নির্বাচনী প্রচারণার কাজে বাঁধা দিচ্ছে। বিএনপি’র প্রার্থীদের প্রচারনা না করতে নেতাকর্মীদের হুমকি দিয়ে আসছে। এই ইউনিয়নের বিএনপি’র প্রার্থীকে এলাকায় থাকতে দেয়া হবে না। নির্বাচনের আগেই যেন এলাকা চেয়ে চলে যান। এনিয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক বরাবর প্রার্থীরা লিখিত অভিযোগ করেন। এই ইউনিয়নের প্রতিটি কেন্দ্রই ঝুকিপূর্ণ। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য আহবান জানান।
সাংবাদিক সম্মেলনে নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক এড. হামিদুল হক ভূইয়ার সভাপতিত্বে বক্তব্য পাঠ করেন যুক্তরাজ্য বিএনপি উপদেষ্টা ও (ইউকে) জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা সলিসিটর মোঃ ইকরামুল হক মজুমদার। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক মোস্তফা জামান, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আবু সায়েম আজাদ, পরিচালনা কমিটিন সদস্য সহিদুল্লাহ কাশেম, কৃষক দলের সভাপতি মাস্টার মঈন,যুবদলের প্রস্তাবিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এ.এস.এম নাসির উদ্দিন. স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি অধ্যাপক খোরশেদ আলম, সিনিয়র সহ-সভাপতি আজিম উদ্দিন মাকসুদ, যুবদলনেতা তারেকুল ইসলাম তারেক, জোড্ডা ইউনিয়ন যুবদলনেতা আলমগীর হোসেন, ছাত্রদলনেতা মাহফুজ, মাঈনুদ্দিন প্রমূখ। এছাড়া নির্বাচনী এলাকার বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থীরা ও জেলা বিএনপি’র নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ খবর

আজকের সর্বাধিক পঠিত

  • No results available

সর্বাধিক পঠিত

  • No results available

দিনপঞ্জি

নভেম্বর ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« আগষ্ট    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী

সম্পাদক ও প্রকাশক-শফিকুর রহমান চৌধুরী (এম এ)

বার্তা সম্পাদক-মাঈন উদ্দিন দুলাল

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদকীয় অফিস :জোড্ডা বাজার,নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা-৩৫৮২

বার্তা বিভাগ-০০২১৮৯২৮২৭৬৯০১,ইমো নাম্বার

Email- nangalkottimes24@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET
error: কপি করা থেকে বিরত থাকুন।